বিতর্কের পরিধি কিন্তু এখানেই শেষ নয়। এই বাকবিতন্ডার পেছনে লুকিয়ে আছে আরও বড় প্রশ্ন—একটি দেশের পাঠাভ্যাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নির্ধারণের অধিকার কার হাতে থাকা উচিত? কেউ কেউ মনে করেন, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোগগুলোকে দুর্বল করে দিয়েছে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, এটি জাতীয় গর্বের একটি প্রতিষ্ঠান, যাকে ধ্বংস করা হচ্ছে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে।
অনেকেই আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের মুক্তিযুদ্ধকালীন অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। কবি মোহাম্মদ রফিকের উদ্ধৃতি দিয়ে এক সমালোচক লিখেছেন, তিনি ‘প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন’ । আবার যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফিরোজ আহমেদ লিখেছেন, ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কপাল ভালো, ধ্বংসের প্রায় শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি । জুলাই না হলে সর্বনাশের শিকার হতো কেন্দ্র’ । তিনি মনে করেন, এটি একটি জীবন্ত প্রতিষ্ঠান, যা ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া ঠিক নয়।
শেষ পর্যন্ত, আমরা কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধা
Hi, this is a comment.
To get started with moderating, editing, and deleting comments, please visit the Comments screen in the dashboard.
Commenter avatars come from Gravatar.